২০২২ সালের পর বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম সর্বোচ্চ 

Sep 4, 2026 - 22:56
Sep 4, 2026 - 22:57
 0  5
২০২২ সালের পর বিশ্ববাজারে খাদ্যপণ্যের দাম সর্বোচ্চ 

জলবায়ু পরিবর্তন,বিভিন্ন অঞ্চলের সংঘাত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অস্থিরতার প্রভাবে বিশ্বজুড়ে খাদ্যপণ্যের বাজারে মূল্যবৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত আগস্টে আন্তর্জাতিক খাদ্যমূল্য সূচক উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। ২০২২ সালের নভেম্বরের পর ওই মাসেই সূচকটি সর্বোচ্চ অবস্থানে পৌঁছায়।
 
 শুক্রবার(৪ সেপ্টেম্বর)  জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা প্রকাশিত তাদের প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরেছে।

ইউরোপে তীব্র দাবদাহ ও খরা, এশিয়ায় সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাব এবং ইউক্রেন ও ইরানকে ঘিরে যুদ্ধ ও বাণিজ্যিক অস্থিরতার কারণে কৃষিপণ্যের সরবরাহব্যবস্থা নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। এর প্রভাব পড়েছে আন্তর্জাতিক খাদ্যবাজারে।

এফএওর প্রধান অর্থনীতিবিদ ম্যাক্সিমো তোরেরো এক বিবৃতিতে বলেন, খাদ্যপণ্যের এই মূল্যবৃদ্ধি বাজারে ঝুঁকি ফিরে আসার সতর্কসংকেত। জলবায়ু পরিবর্তনের ধাক্কা, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা এবং বাণিজ্য ও পরিবহনব্যবস্থা ব্যাহত হওয়ার কারণে সরবরাহ সংকটের আশঙ্কা বাড়ছে।

আগস্টে খাদ্যশস্য, ভোজ্যতেল, চিনি, মাংস ও দুগ্ধজাত পণ্যের মূল্যসূচক বেড়েছে। ইউরোপের প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ভুট্টা ও বিট থেকে চিনি উৎপাদন এবং গবাদিপশু পালনে নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য এল নিনোর প্রভাবে এশিয়ায় পাম তেল ও চিনি উৎপাদন নিয়েও উদ্বেগ বেড়েছে।
 
চিনির মূল্যসূচকও উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। আগস্টে এটি ১১ দশমিক ৯ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ২০২৫ সালের জুনের পর সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে।

এফএওর পৃথক পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের বৈশ্বিক শস্য উৎপাদনের সম্ভাব্য পরিমাণ জুলাইয়ের পূর্বাভাসের তুলনায় ৩ দশমিক ৪ মিলিয়ন মেট্রিক টন কমানো হয়েছে। সংশোধিত হিসাবে মোট উৎপাদন দাঁড়াতে পারে ২ দশমিক ৯৮০ বিলিয়ন টনে। এই হিসাব বাস্তবায়িত হলে, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছর বিশ্বে শস্য উৎপাদন প্রায় ২ শতাংশ হ্রাস পেতে পারে।

What's Your Reaction?

like

dislike

love

funny

angry

sad

wow

ইন্টারন্যাশনাল ডেস্ক ভিশন: বাংলা ভাষাভাষী বিশ্বের জন্য আন্তর্জাতিক রাজনীতি, কূটনীতি, ভূরাজনীতি, বৈশ্বিক অর্থনীতি এবং বিশ্বপরিবর্তনের সবচেয়ে বিশ্বাসযোগ্য, গবেষণানির্ভর ও প্রভাবশালী জ্ঞানকেন্দ্র হওয়া; যা বিশ্বকে বোঝার ক্ষেত্রে বাংলাদেশি পাঠকের প্রথম রেফারেন্স প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে। মিশন: বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক, কূটনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং কৌশলগত ঘটনাবলিকে তথ্য, গবেষণা, প্রেক্ষাপট এবং বিশ্লেষণের মাধ্যমে উপস্থাপন করা; যাতে পাঠক শুধু "বিশ্বে কী ঘটছে" তা নয়, বরং "কেন ঘটছে", "বাংলাদেশের জন্য এর অর্থ কী" এবং "ভবিষ্যতে এর সম্ভাব্য প্রভাব কী"—তা গভীরভাবে বুঝতে পারেন।